মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৪ জানুয়ারি ২০১৭

‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’ এর কার্যক্রম ও অগ্রগতি

‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’ -   খুলে যাচ্ছে আইটি খাতের সম্ভাবনার দুয়ার

 

 

           

                   নির্মাণাধীন ডরমিটরি ভবন                                                              ডরমিটরি ভবনের ডিজাইন                         

           

                    নির্মাণাধীন এমটিবি ভবন                                                                এমটিবি ভবনের ডিজাইন    

 

     ২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস উদ্বোধনের সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোরে আন্তর্জাতিক মানের একটি আইটি পার্ক স্থাপনের ঘোষণা দেন। দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাইয়ের পর ২০১৪ সালের ২৫ এপ্রিল যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় এ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। যশোর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থিত। রাজধানী ঢাকার সাথে জেলাটির সড়ক, রেল ও আকাশপথে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগে ব্যবস্থা বিদ্যমান । ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’ এ ২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। শহরের বেজপাড়া এলাকায় ২৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। কম্পিউটারের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ফ্রিল্যান্সিং, কল সেন্টার ও রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এ চারটি ক্ষেত্রে দেশ-বিদেশের আইটি (তথ্যপ্রযুক্তি) শিল্প উদ্যোক্তারা বিনিয়োগের সুযোগ থাকবে।

 

        প্রকল্পের মূল ভবন ভূমিকম্প প্রতিরোধক কম্পোজিট কাঠামোতে (স্টিল ও কংক্রিট) নির্মিত হচ্ছে। এখানে থাকবে ১২ তলাবিশিষ্ট স্টিল স্ট্রাকচারের ডরমেটরি ভবন ও ১৫ তলাবিশিষ্ট স্টিল স্ট্রাকচারের এমটিবি ভবন। এ ছাড়া থাকবে ফাইবার অপটিক কানেক্টিভিটি। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের সাপ্লাইয়ের জন্য ৩৩ কেভিএ বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন স্থাপন করা হবে এবং রাখা হবে দুই হাজার কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন জেনারেটর। পার্কের মূল ভবনের সামনে পাঁচ একরের একটি বিশাল জলাধার থাকছে। যেখানে স্বচ্ছ পানিতে থাকবে দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির মাছসহ জলজ প্রাণী। থাকবে দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা। এ ছাড়া মূল ভবনের দক্ষিণ পাশে থাকবে সবুজ বেষ্টনী। যেখানে কর্মীদের হাঁটার জন্য পথ থাকবে। দেশের আইটি খাতকে সমৃদ্ধ ও এ খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহী করতে ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’ স্থাপন করছে সরকার। এ ক্ষেত্রে যশোর এলাকায় আইটি সফটওয়্যার-সংক্রান্ত জ্ঞানভিত্তিক শিল্প স্থাপনসহ নানা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আইটি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যশোরে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্থাপনের কাজ শেষ হলে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি, আইসিটি, ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং খাতের সম্ভাবনার দ্বার আরও প্রসারিত হবে।

 

 

 

 

 

  • তথ্য প্রযুক্তি খাত থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ১০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান সম্ভব হবে বলে মনে করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক

 

 

               গত ০৩/০১/২০১৬ তারিখ যশোর শহরের নাজির শংকরপুরে ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’ পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, এসব তরুণ-তরুণীরা দেশে থেকেই বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজ করতে পারবে। ২০১৬ সালের মধ্যেই এ সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক চালু করা সম্ভব, যা ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানি যশোর পার্ক ব্যবহারে আগ্রহ প্রকাশ করছে বলে জানান পলক।পরে প্রতিমন্ত্রী এ সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের নির্মাণাধীন ভবনের চতুর্থ তলায় আয়োজিত স্কিল ডেভলপমেন্ট কোর্সের উদ্বোধন করেন।প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে যশোরের জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবীর, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীর আলমসহ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 


Share with :
Facebook Facebook