মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৪ জানুয়ারি ২০১৬

চুক্তি স্বাক্ষর

ইউকে- লন্ডনে বাংলাদেশ ই-কমার্স ফেয়ার

 

 

 

 

 

 

   ডিজিটাল বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের, সেবা প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে তুলে ধরতে লন্ডনে ১৩ থেকে ১৪ই নভেম্বর দুদিন ব্যাপি, ২য় ইউকে বাংলাদেশ ই-কর্মাস ফেয়ারের আয়োজন করা হয়। দুই দিনে চারটি প্রতিষ্ঠানের সাথে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথোরিটির মোট ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। যুক্তরাজ্য ও সিঙ্গাপুর ভিত্তিক মোট ৭টি প্রতিষ্ঠান আগামী ৩ থেকে ৫ বছরে বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তি খাতে এই বিনিয়োগের ব্যপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে এই চুক্তিতে সাক্ষর করেন হাই-টেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম। অন্যদিকে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সিমার্কের পক্ষে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ওবিই, টেলিকম এশিয়ার প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ শাফায়েত আলম ও টেকশেডের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন টেকশেড ইউকে‘র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুশান্ত দাশ গুপ্ত।

সিঙ্গাপুর ভিত্তিক টেলিকম এ- আইটি প্রতিষ্ঠান টেলিকম এশিয়া ই-কমার্স ফেয়ারে প্রস্তাবিত ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের খাত হিসেবে মোবাইল পেমেন্ট গেটওয়ে, ট্রিপল প্লে, আইটি এন্ড টেলিকমিউনিকেশন্স কনজিউমার প্রোডাক্ট ও বিশেষায়িত প্রযুক্তি পার্ককেই বিনিয়োগের জন্য বিবেচনায় রাখছে বলে জানিয়েছেন টেলিকম এশিয়া প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ শাফায়েত আলম। মেলার দ্বিতীয় দিনে,ভাইব্রান্ট সফটওয়্যার কোম্পানী ইউ কে লিমিটেড এর পরিচালক  রাজবাড়ী জেলার কৃতি সন্তান মোহাম্মদ মারবীন, ৫ মিলিয়ন ডলারের প্রথম যুক্তি স্বাক্ষর করেন। অপর ২ টি চুক্তিতে সই করেন, এসোসিয়েশন অফ ইউকে বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স এর সভাপতি, এম আর চৌধুরী মাতাব, ব্রিটিশ ক্যারি এ্যাওয়ার্ড এর প্রবর্তক এনাম আলী এম বি ই। মেলার মুল উদ্দেশ্য ছিল লন্ডনে বসবাসরত বাংলাদেশীদের কাছে বাংলাদেশের অনলাইন সেবা তুলে ধরা। সুদুর লন্ডনে/বিদেশে বসে বাংলাদেশের যেকারো জন্য বাড়ী, ফ্ল্যাট, ফ্রিজ সহ যেকোন পন্য, স্বল্প মুল্যে ক্রয় করতে পারেন আপনার প্রিয়জনদের জন্য। অনলাইনে বসে অর্ডার করলে বাংলাদেশের ঠিকানায় পৌছে যাবে যেকোন জিনিস। ই-কমার্স মেলার উদ্দেশ্য, সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। এ সময়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান কালে ডিজিটাল বাংলাদেশের রুপরেখা বাস্তবায়নে সরকারের বিভিন্ন কর্মসুচী, উদ্যোগ এবং প্রনয়নের উল্লেখ করেন তিনি। আরো উপস্থিত ছিলেন এমপি নাঈম রাজ্জাক, ই ক্যাবের উপদেষ্টা শমী কায়সার, ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স এর সভাপতি চৌধুরী মাতাব, এনাম আলী ,হাই-টেক পার্ক এর অথরিটি হোসনে আরা বেগম, মোহাম্মদ মারবিন, তানিভীর মিশুক, সিফায়েত আলাম,আব্দুল ওয়াহিদ তমালাকে, সুশান্ত দাস গুপ্তা সহ অন্যান্য বিশেষ ব্যক্তিবর্গ। মেলায় বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন কালে প্রতিমন্ত্রী ক্রেতাদের বিভিন্ন সমস্যা শোনেন এবং তার সমাধান দেখেন। বিনিয়োগে বিভিন্ন সমস্যা কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তিনি উল্লেখ করেন। জুনাইদ আহমেদ পলক আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ যে অবস্থানে ছিল সেখান থেকে বর্তমানে সকল দিকেই এগিয়ে এসেছে এবং এগিয়ে যাবে। সকলকে সাথে নিয়ে দেশের উন্নয়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের সেবা মানুষের দোর গোড়ায় পৌছে দিতে প্রচার মাধ্যমের সহযোগীতা চান তিনি।

 

 

 

 

 

জাপানী উদ্যোক্তাদের সাথে হাই-টেক পার্ক ডেভেলপমেন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে MOU স্বাক্ষর

 

 

 

 

    

    বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ হতে দেশে আইটি শিল্পের বিকাশের লক্ষ্যে সরকার প্রতিটি জেলায় হাই-টেক পার্ক/সফট্ওয়্যার টেকনোলজি পার্ক/আইটি পার্ক/ভিলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে গত ২৭ মে ২০১৫ তারিখ হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগে আগ্রাহী জাপানি প্রতিষ্ঠান Re-Tem Corporation, 3-6-10 Sotokanda Chiyoda–Ku Tokyo 101-0021 JAPAN নামীয় একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ হাই-টেক কর্তৃপক্ষের সাথে যৌথভাবে বাংলাদেশে হাই-টেক পার্ক ডেভেলপমেন্ট করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে একটি পত্র প্রেরণ করেছে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সাথে যৌথভাবে বাংলাদেশে হাই-টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার নিমিত্ত নিম্নোক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গত 01/10/2015 তারিখ নিম্নেবর্ণিত কার্যাদি পরিচালনার জন্য MOU স্বাক্ষর করা হয়েছে:

Feasibility Study of each Hi-Tech Park.

Preparation of draft concept, sustainable Master Plan and Design Guidelines.

Marketing and promotion.

Planning and Execution of Seminars, Symposiums, Training Programs.

Development and management of Resource Recovery Systems inside the park.

Technology transfer for Energy efficiency, Water and Air Pollution treatment Systems.

Building of an effective material Management and Logistic system.

Developing Lateral social and knowledge Networks within and between the parks.

Developing collaborative Relationship with foreign countries, especially with Japan.

Conducting of investigations in relation to Fund Raising and inviting investors.

Establish Eco-Centers for the efficiently management of entire parks.

 

 

 

 

 

চীনের উদ্যোক্তাদের সাথে হাই-টেক পার্ক ডেভেলপমেন্ট এর সহায়তা সংক্রান্ত বিষয়ে MOU স্বাক্ষর

 

   

 

 

     তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে ০৩ নভেম্বর ২০১৫ তারিখ এবং ০২ নভেম্বর ২০১৫ তারিখ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সাথে China BBB, 5 floor, A block, Tianshuma plaza, Chegongmiao, Futian District, Shenzhen, china নামীয় চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি দল স্বাক্ষাত করেন। উক্ত স্বাক্ষাত অনুষ্ঠানে প্রতিনিধি দলটি মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের নিকট বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সাথে যৌথভাবে বাংলাদেশে হাই-টেক পার্ক ডেভেলপমেন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে সহায়তা করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তৎপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় প্রতিষ্ঠানটির সাথে Mutual of Understanding (MOU) সম্পাদন পূর্বক যৌথভাবে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

   বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন হাই-টেক পার্ক সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চীনের China BBB প্রতিষ্ঠানের সাথে নিম্নোক্ত কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য গত ৪/১১/২০১৫ তারিখ Mutual of Understanding (MOU) সম্পাদন করা হয়েছে:

Support and facilitate China language training.

Develop collaborative Relationship with foreign countries, especially with China.   

Marketing and promotion.

Planning and Execution of Seminars, Symposiums, Training Programs.

Development and Management of R&D centre in Hi-Tech Parks.

Technology transfer related to IT/ITEs & Electronics

Support to develop multi-functional, “one stop” services

Support to quality certification for hi-Tech products. 

 

 

 

 


Share with :