মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২nd অক্টোবর ২০১৬

“শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার নাটোর, স্থাপন শীর্ষক" কর্মসূচি

সার-সংক্ষেপ
 

 

অনুন্নয়ন বাজেট হতে অর্থায়নকৃত কর্মসূচির প্রস্তাব (পিপিএনবি)

 

 

 

“শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার নাটোর, স্থাপন শীর্ষক" কর্মসূচি

("Establishment of Seikh Kamal IT Training & Incubation Center in Natore")

 

 

 

 

বাস্তবায়নকারী  ও  অর্থায়নকারী সংস্থা 

 

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ

 তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

আইসিটি টাওয়ার , আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭

 

 

 

 

অনুন্নয়ন বাজেট হতে অর্থায়নকৃত কর্মসূচির প্রস্তাব (PPNB)

 

১.

প্রস্তাবিত কর্মসূচির নাম

“শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার নাটোর, স্থাপন শীর্ষক" কর্মসূচি

২.

বাস্তবায়নকারী দপ্তর/সংস্থা

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ

৩.

প্রশাসনিক বিভাগ

তথ্য ও  যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ

৪.

প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

৫.

প্রস্তাবিত কর্মসূচির বাস্তবায়নকাল   

জানুয়ারী ২০১৬-জুন ২০১৮ (৩০ মাস)

.

প্রস্তাবিত কর্মসূচির মোট প্রাক্কলিত ব্যয়

৯১৩.২৭ (নয় কোটি তের লক্ষ সাতাশ হাজার টাকা মাত্র)

.

অর্থের উৎস

জিওবি

 

প্রস্তাবিত কর্মসূচির উদ্দেশ্য ও যৌক্তিকতা

 

কর্মসূচির  উদ্দেশ্য

           

১) নাটোর জেলার পুরাতন অব্যবহৃত জেলখানায় আইটি পেশায় আগ্রহী উদ্যোক্তাদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামোগত    

       সুবিধা সৃষ্টি।                                                                                      

২) প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশিক্ষণ সুবিধার মাধ্যমে আগ্রহী শিক্ষিত বেকার তরুণ ও তরুণীদের দক্ষতা বৃদ্ধি।  

৩) বাস্তব ভিত্তিক কোর্স কারিকুলাম প্রণয়ন, প্রশিক্ষণ প্রদান এবং ইনকিউবেশন সুবিধার মাধ্যামে ফ্রিল্যান্সার সৃষ্টি।

যৌক্তিকতা

 

    দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে প্রচুর শিক্ষিত বেকার  রয়েছে, যারা বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে দক্ষতার সাথে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করছে। অনেকের আগ্রহ থাকলেও সুযোগ না পাওয়ায় ফ্র্রিল্যান্সিং পেশায় আসতে পারছে না। তাছাড়া ফ্রিল্যান্সাদের সুযোগ দিতে পারলে অনেকেই অন্ট্রপ্রনর হওয়ার  দক্ষতা অর্জন করতে পারে। অদূর ভবিষ্যতে ফ্র্রিল্যান্সিং পেশা  কেপিও (নলেজ প্রসেস আউটসোসিং) তে রূপান্তর হতে যাচ্ছে। আমাদের এই মেধাবী ফ্রিল্যান্সারদেরকে এখনই উক্ত পেশার উপযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তারা ভবিষ্যতে সহজেই কেপিও এর জগতে বিচরণ করতে পারে। আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা ক্রমাগত দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাদের সবাইকে উক্ত পেশার সাথে জড়িত করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্নিত করতে হবে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাত সব থেকে দ্রুত বর্ধনশীল খাত। এই খাত কে ব্যবহার করার মাধ্যমে দেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।

 

   আইসিটি নীতিমালা অনুযায়ীঃ ঘ.৫-কর্মসংস্থান সুযোগ সৃষ্টিঃ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহনের লক্ষ্যে বিশ্বমানের আইসিটি পেশাজীবী তৈরী। ঙ.১(১)- অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং ডিজিটাল ডিভাইড দূর করা

 

   গত ১৩ জুলাই ২০১৪ তারিখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে এবং গত ২৬ জুলাই ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর মাননীয় আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় পরামর্শ প্রদান করেন যে সকল জেলা/উপজেলায় অব্যবহৃত সাব জেল রয়েছে সেখানে আইটি বিষয়ক ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণ করতে হবে।

  

   এমতাবস্থায়, এ কর্মসূচির আওতায় প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা সৃষ্টি ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আগ্রহী বেকার তরুণ ও তরুণীদের    ফ্র্রিল্যান্সিং পেশায় যুক্ত করা সহ আইসিটি সেক্টরে নতুন নতুন অন্ট্রপ্রনর সৃষ্টি করে যা দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ব্যপক ভূমিকা রাখবে।   

 

 

 

 

.

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কৌশলগত উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যমাত্রার সাথে প্রস্তাবিত কর্মসূচির সংশ্লিষ্টতা

 

কৌশলগত মধ্যমেয়াদী উদ্দেশ্য

প্রধান কার্যক্রম

লক্ষ্যমাত্রা

দেশব্যাপী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা। 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যাবহারের মাধ্যমে বেকার জনগোষ্ঠীকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।

 

নাটোর জেলায় একটি মডেল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার গড়ে তোলা  এবং তা প্রসারের পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।

       

 

. প্রস্তাবিত কর্মসূচির আওতায় গৃহীতব্য কার্যসমূহের (Activities) সম্ভাব্য ফলাফল (Output)

 

ক্রমিক নং

কার্যক্রম (Activities)

ফলাফল (Output)

১.

আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার, নাটোর স্থাপন শীর্ষক কর্মসূচি

ক) নাটোর জেলায় একটি মডেল আইটি ট্রেনিং ও ইনকউিবশেন সেন্টার স্থাপন এবং কার্যক্রম প্রসারের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

খ) নাটোর জেলায় আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের  মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদেরে এবং ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আগ্রহী উদ্যোক্তাদের  প্রতিষ্ঠানিক অবকাঠামোগত সুবিধা সৃষ্টি হবে।                                                                                      গ) বাস্তবভিত্তিক কোর্স কারিকুলামসহ প্রশিক্ষণ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে বেকার তরুণ ও তরুণীদের ফ্রিল্যান্সার সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

 

আইসিটি নীতিমালা অনুযায়ীঃ ঘ.৫-কর্মসংস্থান সুযোগ সৃষ্টিঃ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহনের লক্ষ্যে বিশ্বমানের আইসিটি পেশাজীবী তৈরী। ঙ.১(১)- অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং ডিজিটাল ডিভাইড দূর করা

 

 

. কর্মসুচির আওতায় প্রাপ্ত জমি সংক্রান্তঃ   

 

কর্মসুচির আওতাধীন জমি গত ২৪/০৪/২০১৪ তারিখে দীর্ঘ মেয়াদী বন্দোবস্ত  চুক্তি পত্রের মাধ্যমে  জেলাপ্রশাসক, নাটোর (প্রথম পক্ষ)  ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, বিসিসি ভবন, আগারগাও ঢাকা (২য় পক্ষ) এর নিকট উক্ত ৭.০৯৯৩ একর জমি হস্তান্তর করেন। হস্তান্তরের দলিল (ফটোকপি) সংযুক্ত করা হল (সংলগ্নী ৬)

 

আরএস  খতিয়ান নং

মৌজা

আরএস দাগ নং

রেকর্ডীয় শ্রেনী

দাগের মোট জমি (একর)

প্রস্তাবিত জমি (একরে)

ভিটা, জে এল নং-১৪৪

৩৭৩২

ভিটা

০.৯৪৬২

০.৯৪৬২

ভিটা, জে এল নং-১৪৪

৩৭৩৩

জেলখানা

০.২৯৩১

০.২৯৩১

বড় হরিশপুর, জে এল নং-২২৪

১৪৫৪

 ইটভাটা

৫.৮৬

৫.৮৬

 

মোট

৭.০৯৯৩ একর

 

 

১১ । ইনকিউবেশন সংক্রান্ত তথ্য:   

 

ইনকিউবেশন সুবিধাকালীন সময়ঃ-জুলাই, ২০১-জুন,২০১

 

ক) মোট -২৯(উনত্রিশ) জন ব্যাক্তি উদ্যোক্তাদের প্লাগ এন্ড প্লে পদ্ধতিতে ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য ইনকিউবেশন সুবিধা

পুরুষ-১৫ টি আসন

মহিলা-১৪ টি আসন

 

খ) প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোক্তাদের জন্য মোট ১০ (দশ) টি ইনকিউবেশন সেল রয়েছে। ১০ (দশ) টি ইনকিউবেশন সেলে মোট ১০ (দশ) টি প্রাতিষ্ঠানিক কোম্পানী ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করতে পারবে।  প্রতি সেলে সর্বনিন্ম ৫ জন করে কাজ করার সুবিধা রয়েছে।

 

গ) আগ্রহী ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃ (লীজ পদ্ধতিতে) নির্ধারিত সহজ শর্ত পালন ও মূল্য পরিশোধ পূর্বক ইনকিউবেশন সুবিধা গ্রহণীয় হবে। ইনকিউবেশন সুবিধা প্রতি বছর ভিত্তিক নবায়নযোগ্য হবে।

 

ক্যান্টিন সংক্রান্তঃ  

 

  কর্মসূচির অভ্যন্তরীণ ক্যান্টিন চালু রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট আগ্রহী ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সহজ শর্ত পালন ও মূল্য পরিশোধ পূর্বক লীজ প্রদান করা হবে এবং বছর ভিত্তিক নবায়নযোগ্য হবে। 

 

 

 

. প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য:   

 

প্রশিক্ষণকালীন সময়ঃ-জুলাই, ২০১-জুন,২০১

প্রশিক্ষণের ধরণ

মেয়াদ

স্থান

যৌক্তিকতা

ফ্রিল্যান্সিং 

প্রশিক্ষণ  কর্মসূচি

 

 

 

 

প্রতি ব্যাচে ৩০ জন প্রশিক্ষণ প্রদান। 

প্রতিদিন ২ টি ব্যাচ/ক্লাস

প্রতি ব্যাচের জন্য সপ্তাহে ৬ দিন করে ক্লাস হবে

প্রতি র্কোস ৩৭ দিনের 

প্রতি  ১.৫ মাসে ২ ব্যাচ,

মোট ১২ মাসে ১৬ ব্যাচ  

১২ মাসে ৪৮০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা যাবে।     

 

সকাল ৯.০০ ঘটিকা থেকে দুপুর ১২.০০ ঘটিকা -১ম ক্লাস

দুপুর ২.০০ ঘটিকা থেকে বিকাল ৫.০০ ঘটিকা পর্যন্ত-২য় ক্লাস।

          

 (বিস্তারিত সংলগ্নী-১ দ্র:) ।

আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার, নাটোর স্থাপন   শীর্ষক কর্মসূচি

এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন ফ্রিল্যান্সার নিজের পাশাপাশি অন্যদেরকে স্বাবলম্বী করার পর আর্ন্তজাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি রূপান্তর করে ফ্রিল্যান্সিং বিজনেস এ সরাসরি জড়িত হতে পারে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারবে।

মোট

৪৮০ জন

 

 

 

 

১৪। কর্মসূচির মেয়াদ সমাপ্ত হওয়ার পরে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের বিদ্যমান  জনবল দ্বারা কার্যক্রম অব্যহত রাখা সম্ভব হবে। এছাড়া হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সাংগঠনিক কাঠামো নতুন করে প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে ঢাকা ব্যতীত ৬টি বিভাগীয় শহরে নতুন করে সাংগঠনিক কাঠামোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তৎমধ্যে রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক  কাঠামোর অধীনে প্রস্তাবিত জনবল  দ্বারা উক্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে।


Share with :